বিদেশে উচ্চশিক্ষার পূর্ণাঙ্গ গাইড: ছাত্র ভিসা পাওয়ার এ টু জেড
১-৫০: প্রাথমিক প্রস্তুতি ও দেশ নির্বাচন
১. বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীর থাকে। ২. প্রথম ধাপ হলো আপনি কোন দেশে পড়তে চান তা ঠিক করা। ৩. বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কানাডা একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। ৪. অনেকে আবার যুক্তরাজ্যকে প্রাধান্য দেন তাদের দ্রুত শিক্ষা পদ্ধতির জন্য। ৫. অস্ট্রেলিয়াও উচ্চশিক্ষার জন্য অত্যন্ত উন্নত একটি দেশ। ৬. ইউরোপের মধ্যে জার্মানি এবং ফ্রান্স সাশ্রয়ী শিক্ষার জন্য পরিচিত। ৭. দেশ নির্বাচনের সময় সেই দেশের জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করা উচিত। ৮. আপনাকে দেখতে হবে কোন দেশে পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ বেশি। ৯. আবহাওয়া আপনার শরীরের জন্য উপযোগী কি না তা যাচাই করুন। ১০. টিউশন ফি এবং স্কলারশিপের সুযোগ সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে নিন। ১১. প্রতিটি দেশের ভিসার নিয়ম আলাদা হয়। ১২. আপনার পছন্দের বিষয়টি কোন দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো পড়ানো হয় তা খুঁজে বের করুন। ১৩. ইন্টারনেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং চেক করা একটি ভালো অভ্যাস। ১৪. বিভিন্ন শিক্ষা মেলায় অংশ নিয়ে সরাসরি প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলুন। ১৫. আপনার আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী দেশ নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ১৬. ভাষা সংক্রান্ত কোনো জটিলতা আছে কি না তা আগেভাগেই দেখে নিন। ১৭. পাসপোর্ট না থাকলে সবার আগে পাসপোর্ট তৈরি করে ফেলুন। ১৮. পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত দুই বছর থাকা ভালো। ১৯. আপনার একাডেমিক রেজাল্ট অনুযায়ী কোন দেশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি তা বিশ্লেষণ করুন। ২০. আইইএলটিএস (IELTS) বা টোফেল (TOEFL) প্রস্তুতির জন্য অন্তত ৬ মাস সময় হাতে রাখুন। ২১. পরীক্ষার স্কোর ভালো হলে ভিসা পাওয়া সহজ হয়। ২২. অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডুওলিঙ্গো (Duolingo) টেস্টও গ্রহণ করা হয়। ২৩. জার্মানির জন্য অনেক ক্ষেত্রে জার্মান ভাষার জ্ঞান প্রয়োজন হয়। ২৪. জাপানে পড়তে চাইলে জাপানি ভাষা শেখা প্রায় বাধ্যতামূলক। ২৫. উচ্চশিক্ষার জন্য একটি ভালো সিভি (CV) তৈরি করুন। ২৬. আপনার সকল একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট জোগাড় করুন। ২৭. সার্টিফিকেটগুলো বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সত্যায়িত করে নিন। ২৮. অনেক সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়নের প্রয়োজন হয়। ২৯. আপনার শিক্ষকদের কাছ থেকে অন্তত দুটি রেকমেন্ডেশন লেটার (Letter of Recommendation) সংগ্রহ করুন। ৩০. তারা যেন আপনার মেধা ও চারিত্রিক গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত লেখেন। ৩১. একটি আকর্ষণীয় স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) লিখুন। ৩২. কেন আপনি এই বিষয়টি পছন্দ করেছেন তা এসওপিতে উল্লেখ করুন। ৩৩. কেন ওই নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়টিই বেছে নিলেন তা পরিষ্কার করুন। ৩৪. পড়াশোনা শেষে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী তাও লিখুন। ৩৫. এসওপিতে কোনো তথ্য নকল করবেন না। ৩৬. সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক সময় ভিসা রিজেক্ট হয়। ৩৭. আপনার পাসপোর্ট ও সার্টিফিকেটের নামের বানান সব জায়গায় এক কি না তা নিশ্চিত করুন। ৩৮. নামের বানানে ভুল থাকলে এফিডেভিট করে নিতে পারেন। ৩৯. আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ ইংরেজিতে অনুবাদ করে নিন। ৪০. প্রতিটি ডকুমেন্টের স্ক্যান কপি গুছিয়ে রাখুন। ৪১. ভর্তির জন্য ডেডলাইন বা শেষ সময়গুলো ডায়েরিতে লিখে রাখুন। ৪২. ইনটেক (Intake) বা সেশন অনুযায়ী আবেদন করতে হয়। ৪৩. সেপ্টেম্বর সেশন সাধারণত বড় সেশন হিসেবে পরিচিত। ৪৪. কিছু দেশে জানুয়ারি বা মে মাসেও আবেদন করা যায়। ৪৫. আবেদনের অন্তত ৬ মাস আগে থেকে প্রক্রিয়া শুরু করুন। ৪৬. অভিজ্ঞ কোনো কাউন্সিলরের পরামর্শ নিতে পারেন। ৪৭. বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে সফল শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা পড়ুন। ৪৮. অন্যের অভিজ্ঞতা আপনাকে ভুল করা থেকে বাঁচাবে। ৪৯. আর্থিক সাপোর্টের জন্য স্পন্সর কে হবে তা নিশ্চিত করুন। ৫০. স্পন্সরের সাথে আপনার সম্পর্কের প্রমাণপত্র তৈরি রাখুন।
১. বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীর থাকে। ২. প্রথম ধাপ হলো আপনি কোন দেশে পড়তে চান তা ঠিক করা। ৩. বর্তমানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কানাডা একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। ৪. অনেকে আবার যুক্তরাজ্যকে প্রাধান্য দেন তাদের দ্রুত শিক্ষা পদ্ধতির জন্য। ৫. অস্ট্রেলিয়াও উচ্চশিক্ষার জন্য অত্যন্ত উন্নত একটি দেশ। ৬. ইউরোপের মধ্যে জার্মানি এবং ফ্রান্স সাশ্রয়ী শিক্ষার জন্য পরিচিত। ৭. দেশ নির্বাচনের সময় সেই দেশের জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করা উচিত। ৮. আপনাকে দেখতে হবে কোন দেশে পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ বেশি। ৯. আবহাওয়া আপনার শরীরের জন্য উপযোগী কি না তা যাচাই করুন। ১০. টিউশন ফি এবং স্কলারশিপের সুযোগ সম্পর্কে আগে থেকেই জেনে নিন। ১১. প্রতিটি দেশের ভিসার নিয়ম আলাদা হয়। ১২. আপনার পছন্দের বিষয়টি কোন দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো পড়ানো হয় তা খুঁজে বের করুন। ১৩. ইন্টারনেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাঙ্কিং চেক করা একটি ভালো অভ্যাস। ১৪. বিভিন্ন শিক্ষা মেলায় অংশ নিয়ে সরাসরি প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলুন। ১৫. আপনার আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী দেশ নির্বাচন করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ১৬. ভাষা সংক্রান্ত কোনো জটিলতা আছে কি না তা আগেভাগেই দেখে নিন। ১৭. পাসপোর্ট না থাকলে সবার আগে পাসপোর্ট তৈরি করে ফেলুন। ১৮. পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত দুই বছর থাকা ভালো। ১৯. আপনার একাডেমিক রেজাল্ট অনুযায়ী কোন দেশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি তা বিশ্লেষণ করুন। ২০. আইইএলটিএস (IELTS) বা টোফেল (TOEFL) প্রস্তুতির জন্য অন্তত ৬ মাস সময় হাতে রাখুন। ২১. পরীক্ষার স্কোর ভালো হলে ভিসা পাওয়া সহজ হয়। ২২. অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ডুওলিঙ্গো (Duolingo) টেস্টও গ্রহণ করা হয়। ২৩. জার্মানির জন্য অনেক ক্ষেত্রে জার্মান ভাষার জ্ঞান প্রয়োজন হয়। ২৪. জাপানে পড়তে চাইলে জাপানি ভাষা শেখা প্রায় বাধ্যতামূলক। ২৫. উচ্চশিক্ষার জন্য একটি ভালো সিভি (CV) তৈরি করুন। ২৬. আপনার সকল একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং মার্কশিট জোগাড় করুন। ২৭. সার্টিফিকেটগুলো বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সত্যায়িত করে নিন। ২৮. অনেক সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়নের প্রয়োজন হয়। ২৯. আপনার শিক্ষকদের কাছ থেকে অন্তত দুটি রেকমেন্ডেশন লেটার (Letter of Recommendation) সংগ্রহ করুন। ৩০. তারা যেন আপনার মেধা ও চারিত্রিক গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত লেখেন। ৩১. একটি আকর্ষণীয় স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (SOP) লিখুন। ৩২. কেন আপনি এই বিষয়টি পছন্দ করেছেন তা এসওপিতে উল্লেখ করুন। ৩৩. কেন ওই নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়টিই বেছে নিলেন তা পরিষ্কার করুন। ৩৪. পড়াশোনা শেষে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী তাও লিখুন। ৩৫. এসওপিতে কোনো তথ্য নকল করবেন না। ৩৬. সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক সময় ভিসা রিজেক্ট হয়। ৩৭. আপনার পাসপোর্ট ও সার্টিফিকেটের নামের বানান সব জায়গায় এক কি না তা নিশ্চিত করুন। ৩৮. নামের বানানে ভুল থাকলে এফিডেভিট করে নিতে পারেন। ৩৯. আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদ ইংরেজিতে অনুবাদ করে নিন। ৪০. প্রতিটি ডকুমেন্টের স্ক্যান কপি গুছিয়ে রাখুন। ৪১. ভর্তির জন্য ডেডলাইন বা শেষ সময়গুলো ডায়েরিতে লিখে রাখুন। ৪২. ইনটেক (Intake) বা সেশন অনুযায়ী আবেদন করতে হয়। ৪৩. সেপ্টেম্বর সেশন সাধারণত বড় সেশন হিসেবে পরিচিত। ৪৪. কিছু দেশে জানুয়ারি বা মে মাসেও আবেদন করা যায়। ৪৫. আবেদনের অন্তত ৬ মাস আগে থেকে প্রক্রিয়া শুরু করুন। ৪৬. অভিজ্ঞ কোনো কাউন্সিলরের পরামর্শ নিতে পারেন। ৪৭. বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে সফল শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা পড়ুন। ৪৮. অন্যের অভিজ্ঞতা আপনাকে ভুল করা থেকে বাঁচাবে। ৪৯. আর্থিক সাপোর্টের জন্য স্পন্সর কে হবে তা নিশ্চিত করুন। ৫০. স্পন্সরের সাথে আপনার সম্পর্কের প্রমাণপত্র তৈরি রাখুন।
৫১-১০০: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও অফার লেটার
৫১. পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন। ৫২. অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন ফি বা অ্যাপ্লিকেশন ফি গ্রহণ করে। ৫৩. এই ফি সাধারণত ৫০ থেকে ১৫০ ডলারের মতো হতে পারে। ৫৪. ক্রেডিট কার্ড বা ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে ফি জমা দিতে হয়। ৫৫. আবেদন করার পর কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হতে পারে। ৫৬. বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপনার সব ডকুমেন্ট যাচাই করবে। ৫৭. তারা সন্তুষ্ট হলে আপনাকে একটি শর্তহীন (Unconditional) অফার লেটার দেবে। ৫৮. কখনো কখনো শর্তযুক্ত (Conditional) অফার লেটারও দেওয়া হয়। ৫৯. শর্ত পূরণ করলে তা শর্তহীন অফার লেটারে রূপান্তরিত হয়। ৬০. অফার লেটার পাওয়ার পর টিউশন ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৬১. ব্যাংক ড্রাফট বা ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়। ৬২. টাকা পাঠানোর সময় ব্যাংকের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ফাইল খোলা প্রয়োজন। ৬৩. স্টুডেন্ট ফাইল খুললে টাকা পাঠানো আইনি এবং নিরাপদ হয়। ৬৪. টিউশন ফি জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কনফার্মেশন লেটার দেওয়া হয়। ৬৫. যুক্তরাজ্যে একে সিএএস (CAS) লেটার বলা হয়। ৬৬. অস্ট্রেলিয়ায় একে সিওই (COE) বলা হয়। ৬৭. ইউএসএ-এর জন্য আই-২০ (I-20) ফরম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬৮. অফার লেটারে কোর্সের শুরুর তারিখ ও শেষের তারিখ দেওয়া থাকে। ৬৯. আপনার থাকার জায়গার ব্যবস্থা বা একোমোডেশন সম্পর্কেও তথ্য থাকতে পারে। ৭০. স্কলারশিপ পেলে তার পরিমাণ অফার লেটারে উল্লেখ থাকে। ৭১. কোনো তথ্য ভুল থাকলে সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানান। ৭২. হেলথ ইন্স্যুরেন্স বা স্বাস্থ্য বীমা করা অনেক দেশের জন্য বাধ্যতামূলক। ৭৩. কানাডার জন্য জিআইসি (GIC) অ্যাকাউন্ট খোলা জরুরি হতে পারে। ৭৪. এই টাকা আপনার জীবনযাত্রার খরচ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ৭৫. জার্মানির জন্য ব্লকড অ্যাকাউন্ট (Blocked Account) খোলা আবশ্যক। ৭৬. ব্লকড অ্যাকাউন্টে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হয়। ৭৭. ভিসা পাওয়ার জন্য এই অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট খুব জরুরি। ৭৮. অফার লেটার পাওয়ার পর পাসপোর্ট ও ভিসার আবেদনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হন। ৭৯. ভিসার জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলুন। ৮০. আপনার ব্যক্তিগত সব তথ্য নির্ভুলভাবে ইনপুট দিন। ৮১. আপনার কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড (Criminal Record) আছে কি না তা জিজ্ঞেস করা হতে পারে। ৮২. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ৮৩. স্থানীয় থানা বা অনলাইন থেকে এটি আবেদন করা যায়। ৮৪. আপনার পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য দিতে হতে পারে। ৮৫. আপনার আগের ট্রাভেল হিস্ট্রি বা ভ্রমণের ইতিহাসও জানাতে হতে পারে। ৮৬. ভিসা আবেদন করার সময় কোনো তথ্য লুকাবেন না। ৮৭. মিথ্যা তথ্য দিলে স্থায়ীভাবে ভিসা নিষিদ্ধ হতে পারে। ৮৮. সব তথ্য আপনার একাডেমিক ডকুমেন্টের সাথে মিল থাকতে হবে। ৮৯. আবেদন ফি অনলাইনে জমা দিন। ৯০. ফি জমার রশিদটি যত্নে রাখুন। ৯১. বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। ৯২. অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন সব মূল কপি সাথে রাখুন। ৯৩. ফরমাল পোশাকে সেন্টারে যাওয়া ভালো। ৯৪. সেখানে আপনার ছবি তোলা হবে এবং চোখের মণি স্ক্যান করা হবে। ৯৫. বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হলে ভিসার ফাইল প্রসেসিং শুরু হয়। ৯৬. এই সময়ে বারবার ইমেইল চেক করুন। ৯৭. কর্তৃপক্ষ কোনো অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাইলে তা দ্রুত পাঠিয়ে দিন। ৯৮. ভিসা সেন্টারের কর্মীরা আপনাকে সাহায্য করতে পারেন। ৯৯. তবে তারা ভিসার সিদ্ধান্ত নেন না। ১০০. ভিসার সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেট।
৫১. পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করুন। ৫২. অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন ফি বা অ্যাপ্লিকেশন ফি গ্রহণ করে। ৫৩. এই ফি সাধারণত ৫০ থেকে ১৫০ ডলারের মতো হতে পারে। ৫৪. ক্রেডিট কার্ড বা ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে ফি জমা দিতে হয়। ৫৫. আবেদন করার পর কয়েক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হতে পারে। ৫৬. বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আপনার সব ডকুমেন্ট যাচাই করবে। ৫৭. তারা সন্তুষ্ট হলে আপনাকে একটি শর্তহীন (Unconditional) অফার লেটার দেবে। ৫৮. কখনো কখনো শর্তযুক্ত (Conditional) অফার লেটারও দেওয়া হয়। ৫৯. শর্ত পূরণ করলে তা শর্তহীন অফার লেটারে রূপান্তরিত হয়। ৬০. অফার লেটার পাওয়ার পর টিউশন ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ৬১. ব্যাংক ড্রাফট বা ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়। ৬২. টাকা পাঠানোর সময় ব্যাংকের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ফাইল খোলা প্রয়োজন। ৬৩. স্টুডেন্ট ফাইল খুললে টাকা পাঠানো আইনি এবং নিরাপদ হয়। ৬৪. টিউশন ফি জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কনফার্মেশন লেটার দেওয়া হয়। ৬৫. যুক্তরাজ্যে একে সিএএস (CAS) লেটার বলা হয়। ৬৬. অস্ট্রেলিয়ায় একে সিওই (COE) বলা হয়। ৬৭. ইউএসএ-এর জন্য আই-২০ (I-20) ফরম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬৮. অফার লেটারে কোর্সের শুরুর তারিখ ও শেষের তারিখ দেওয়া থাকে। ৬৯. আপনার থাকার জায়গার ব্যবস্থা বা একোমোডেশন সম্পর্কেও তথ্য থাকতে পারে। ৭০. স্কলারশিপ পেলে তার পরিমাণ অফার লেটারে উল্লেখ থাকে। ৭১. কোনো তথ্য ভুল থাকলে সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানান। ৭২. হেলথ ইন্স্যুরেন্স বা স্বাস্থ্য বীমা করা অনেক দেশের জন্য বাধ্যতামূলক। ৭৩. কানাডার জন্য জিআইসি (GIC) অ্যাকাউন্ট খোলা জরুরি হতে পারে। ৭৪. এই টাকা আপনার জীবনযাত্রার খরচ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। ৭৫. জার্মানির জন্য ব্লকড অ্যাকাউন্ট (Blocked Account) খোলা আবশ্যক। ৭৬. ব্লকড অ্যাকাউন্টে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখতে হয়। ৭৭. ভিসা পাওয়ার জন্য এই অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্ট খুব জরুরি। ৭৮. অফার লেটার পাওয়ার পর পাসপোর্ট ও ভিসার আবেদনের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হন। ৭৯. ভিসার জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলুন। ৮০. আপনার ব্যক্তিগত সব তথ্য নির্ভুলভাবে ইনপুট দিন। ৮১. আপনার কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড (Criminal Record) আছে কি না তা জিজ্ঞেস করা হতে পারে। ৮২. পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ৮৩. স্থানীয় থানা বা অনলাইন থেকে এটি আবেদন করা যায়। ৮৪. আপনার পরিবারের সদস্যদের বিস্তারিত তথ্য দিতে হতে পারে। ৮৫. আপনার আগের ট্রাভেল হিস্ট্রি বা ভ্রমণের ইতিহাসও জানাতে হতে পারে। ৮৬. ভিসা আবেদন করার সময় কোনো তথ্য লুকাবেন না। ৮৭. মিথ্যা তথ্য দিলে স্থায়ীভাবে ভিসা নিষিদ্ধ হতে পারে। ৮৮. সব তথ্য আপনার একাডেমিক ডকুমেন্টের সাথে মিল থাকতে হবে। ৮৯. আবেদন ফি অনলাইনে জমা দিন। ৯০. ফি জমার রশিদটি যত্নে রাখুন। ৯১. বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ দেওয়ার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। ৯২. অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন সব মূল কপি সাথে রাখুন। ৯৩. ফরমাল পোশাকে সেন্টারে যাওয়া ভালো। ৯৪. সেখানে আপনার ছবি তোলা হবে এবং চোখের মণি স্ক্যান করা হবে। ৯৫. বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হলে ভিসার ফাইল প্রসেসিং শুরু হয়। ৯৬. এই সময়ে বারবার ইমেইল চেক করুন। ৯৭. কর্তৃপক্ষ কোনো অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাইলে তা দ্রুত পাঠিয়ে দিন। ৯৮. ভিসা সেন্টারের কর্মীরা আপনাকে সাহায্য করতে পারেন। ৯৯. তবে তারা ভিসার সিদ্ধান্ত নেন না। ১০০. ভিসার সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেট।
